
কেসারিয়া টেক্সটাইলকে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া এক্সেলেন্স’ পুরস্কার, হেটি মিডিয়ার ক্র্যাফ্টিং ভারত বিজনেস কনক্লেভে
হেটি মিডিয়ার ক্র্যাফ্টিং ভারত বিজনেস কনক্লেভে কেসারিয়া টেক্সটাইলকে ‘এক্সেলেন্স ইন মেক ইন ইন্ডিয়া ইনিশিয়েটিভস অওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। কোম্পানির দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গের টেক্সটাইল শিল্পে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।
মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হেটি মিডিয়া প্রেজেন্টস ক্র্যাফ্টিং ভারত বিজনেস কনক্লেভ ও অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ সুরতের দ্রুতবর্ধনশীল টেক্সটাইল ও বি২বি গার্মেন্টস কোম্পানি কেসারিয়া টেক্সটাইলকে ‘এক্সেলেন্স ইন মেক ইন ইন্ডিয়া ইনিশিয়েটিভস অওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। পুরস্কারটি কোম্পানির দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, প্রযুক্তি আপগ্রেড এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেয়।
কেসারিয়া টেক্সটাইল ২০০৮ সালে সূচিত হয় এবং আজ পর্যন্ত ২,৫০০ টিরও বেশি কর্মীকে নিয়োগ করে টেক্সটাইল সেক্টরে বৈশ্বিক মানের পণ্য উৎপাদন করে আসছে। কোম্পানি মূলত রশিদ, সিল্ক ও পলিয়েস্টার মিশ্রণে তৈরি গার্মেন্টস সরবরাহ করে, যা দেশীয় রিটেইল চেইন ও এক্সপোর্ট বাজারে জনপ্রিয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের B2B মডেলটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিক্রয় পরিসর বাড়িয়েছে।
‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে গ্লোবাল প্রতিযোগিতা মোকাবিলা করা সরকারী নীতির সঙ্গে কেসারিয়া টেক্সটাইলের কাজ সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানি স্থানীয় সরবরাহকারী ও কাঁচামাল উৎপাদনকারীকে সমর্থন করে, ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বৃদ্ধি পায়। এভাবেই তারা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে উৎপাদন খরচ কমিয়ে, মান বজায় রেখে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করছে।
কোম্পানির সিইও শ্রী রমেশ কেসারিয়া পুরস্কার গ্রহণের পর বলেছেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা ও গুণগত মানের প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতির প্রমাণ। আমরা আগামী বছরগুলোতে নতুন যন্ত্রপাতি ও ডিজিটাল টুলস যোগ করে উৎপাদন বাড়িয়ে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বাজারে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই।” তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই পুরস্কারটি স্থানীয় টেক্সটাইল শিল্পকে উদ্যমী করে তুলবে।
সারসংক্ষেপে, কেসারিয়া টেক্সটাইলের এই সম্মাননা পশ্চিমবঙ্গের টেক্সটাইল খাতের জন্য এক উদাহরণস্বরূপ সাফল্য। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির আওতায় দেশীয় উৎপাদনের গতি বাড়িয়ে, স্থানীয় ব্যবসা ও কর্মী উভয়েরই সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে বলে আশা করা যায়। এই ধরণের স্বীকৃতি অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলোকেও গুণগত মান ও উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণে অনুপ্রেরণা দেবে।



